মোহাম্মদ বিন জায়েদ তথা এমবিজেড, আরব আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্স
Featured,  বিশ্ব রাজনীতি

আরব আমিরাত: মধ্যপ্রাচ্যের নতুন ইসরায়েল

আরব আমিরাত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের নতুন ইসরায়েল। কোনো দিন যদি কোনো গায়েবী উপায়ে ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যের বুক থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়, আরব আমিরাত অনায়াসেই সেই শূন্যস্থান পূরণ করে নিতে পারবে।

আনলাইক অ্যানি আদার আরব কান্ট্রি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের তথা ইউএইর (আরবিতে সংক্ষেপে ইমারাত বলে, আমি সেটা বলতেই অভ্যস্ত, এরপর থেকে আরব আমিরাতকে শুধু ইমারাত হিসেবে উল্লেখ করব) রাজনীতি আগ্রাসনমূলক। এ পর্যন্ত তারা বিশ্বের সাড়ে ছয়টা দেশে সরাসরি নিজেদের সেনাবাহিনী নিযুক্ত করেছে: ইরাক, কসোভো, সোমালিয়া, আফগানিস্তান, লিবিয়া, ইয়েমেন এবং সো কলড ইসলামিক স্টেট (হেন্স হাফ এ কান্ট্রি)।

আরব বিশ্বের মধ্যে ইমারাতের সামরিক সক্ষমতা এবং সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা অন্য যে কারো চেয়ে অনেক অনেক বেশি। তারা এমন এক শক্তিশালী মিটিলারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সে গড়ে তুলতে চায়, যেন রেজিওনাল কোনো হুমকির মুখে পড়লে আমেরিকা বা ইসরায়েলের কাছ থেকে সাহায্য এসে পৌঁছানোর পূর্ব পর্যন্ত নিজেরাই নিজেদেরকে ডিফেন্ড করতে পারে।

স্পাই স্টোরিজ: এসপিওনাজ জগতের অবিশ্বাস্য কিছু সত্য কাহিনী

সত্যিকারের গুপ্তচরদের কাহিনী নিয়ে লেখা আমার নন-ফিকশন থ্রিলার বই। প্রকাশিত হয়েছে স্বরে অ প্রকাশনী থেকে। ঘরে বসে অর্ডার করতে পারেন রকমারির এই লিঙ্ক থেকে। মুদ্রিত মূল্য ২৭০ টাকা মাত্র। আর পড়ার পর রেটিং এবং রিভিউ দিতে পারবেন গুডরিডসের এই লিঙ্কে

সৌদি আরব এবং আরব আমিরাতকে অনেক সময় একই লক্ষ্যে কাজ করতে দেখা যায়। কিন্তু দুই দেশের লক্ষ্যে এবং মূলনীতিতে অনেক মিল থাকলেও প্রচুর পার্থক্যও আছে। সৌদি আরব নিজের জন্য প্রধান হুমকি মনে করে ইরানকে, অন্যদিকে আরব আমিরাত নিজের জন্য প্রধান হুমকি মনে করে পলিটিকাল ইসলাম তথা এখুয়ানুল মুসলেমিনকে। এখুয়ানুল মুসলেমিন তথা মুসলিম ব্রাদারহুড তাদের জন্য এক্সিসটেনশিয়াল থ্রেট। আর এই থ্রেট মোকাবেলার জন্য তাদের প্রধান অস্ত্র রেজিওনাল মিলিটারি ডিক্টেটররা।

আরব বসন্ত যখন শুরু হয়, আরব আমিরাত তখন শুরুতে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিল। ওবামা কেন আমেরিকার দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু মোবারকের পাশে দাঁড়ায়নি, সেজন্য ইমারাতিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল। এমনকি ব্যাক চ্যানেলে লিবিয়াতে ন্যাটোর হস্তক্ষেপেরও তারা বিরোধিতা করেছিল।

কিন্তু বিদ্রোহীরা সুবিধাজনক পজিশনে আছে এবং কাতার ইসলামপন্থী বিদ্রোহীদেরকে সহায়তার মাধ্যমে তাদের হাতেই এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ তুলে দিচ্ছে বুঝতে পেরে ইমারাতও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ শুরু করে। স্বৈরশাসকদের পতনের সাথে সাথেই তারা কাতারের ইসলামপন্থী মিত্রদের বিরুদ্ধে গিয়ে একদিকে সেক্যুলার মিলিটারি স্ট্রংম্যান, এবং অন্যদিকে মাদখালি সালাফিদেরকে (এই ফ্রন্টে অবশ্য সৌদির কৃতিত্ব বেশি) ব্যাকিং দেওয়া শুরু করে।

প্রাসঙ্গিক লেখা: মোহাম্মদ দাহলান: বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী আমেরিকান-ইসরায়েলি এজেন্ট?

তারা মিসরে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে অপসারণ করে জেনারেল আব্দুল ফাত্তাহ আল-সিসিকে ক্ষমতায় বসায়। প্রকাশ্যে আমেরিকার ভূমিকা বেশি বলে মনে হলেও বাস্তবে সিসির উত্থানে আমেরিকার ভূমিকা প্রত্যক্ষ ছিল না, ছিল অনেকটা মৌন সম্মতি টাইপের। অভ্যুত্থানের পর আমেরিকা মিসরকে দেওয়া মিলিটারি এইডও সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু সিসিকে বসানোর জন্য পুরো সময় পেছন থেকে কলকাঠি নেড়েছে সৌদি-ইমারাত-ইসরায়েল ট্রায়ো। এদের মধ্যে ইমারাতের ভূমিকা খুবই স্পষ্ট।

কাতারের উপরের অবরোধ আমেরিকার স্বার্থের বিরুদ্ধে যাওয়ায় আমেরিকা সেটা সমাধান করে ফেলার জন্য চাপ দিলেও মূলত ইমারাতের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদই (এমবিজেড নামেই বেশি পরিচিত) জোরপূর্বক কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ জারি রাখার ব্যাপারে সৌদি আরবকে সমর্থন দিয়ে এসেছে।

তারা ইয়েমেনে সেনাবাহিনী এবং মার্সেনারি পাঠিয়ে হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে। লিবিয়াতে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে, জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে, এবং ওবামার অবস্থানের বিরুদ্ধে গিয়ে, জেনারেল খালিফা হাফতারকে সরাসরি সাহায্য করেছে, এখনও নিয়মিত বম্বিং করে যাচ্ছে। ইমারাতের এলোপাথাড়ি বিমান হামলায় লিবিয়াতে শুধুমাত্র বাংলাদেশী শ্রমিকই নিহত হয়েছে অন্তত সাত জন।

প্রাসঙ্গিক লেখা: ইসরায়েলের গোপন অপারেশনগুলো: প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ

সাম্প্রতিক সময়ে সুদানের আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে ইমারাত সেখানে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে। তারা আলজেরিয়াতে সেনাবাহিনীকে ব্যাকিং দিচ্ছে। ইথিওপিয়াতে অভ্যুত্থান ঘটানোর চেষ্টা করেছে। পুরো মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকাই ইমারাতের প্লেয়িং ফিল্ড।

বিভিন্ন কারণে গণমাধ্যমে সৌদি আরবের বিরুদ্ধেই বেশি রিপোর্ট আসে, মানুষের ক্ষোভও সৌদি শাসকদের বিরুদ্ধেই বেশি থাকে। কিন্তু বাস্তবে এমবিজেডের তুলনায় সৌদি যুবরাজ এমবিএস (মোহাম্মদ বিন সালমান) এখনও শিশু। ইনফ্যাক্ট এমবিএসের উপর এমবিজেডের প্রভাব সীমাহীন, নট ভাইসা ভার্সা।

তাদের সম্পর্ক গুরু-শিষ্যের মতো – এমবিজেড গুরু, এমবিএস শিষ্য। এমবিএসের ক্ষমতায় আসার কথা ছিল না, এমবিজেডই আমেরিকানদেরকে লবিয়িং করে রাজি করিয়েছে এমবিএসকে সমর্থন দেওয়ার জন্য। বলা যায় এমবিএসকে ক্ষমতায় বসিয়েছেই এমবিজেড, তার নিজের রেজিওনাল ভিশন বাস্তবায়ন করার জন্য।

রেজিওনাল পলিটিক্সে সৌদির চেয়ে ইমারাত অনেক অনেক বেশি আগ্রাসী। এখন পর্যন্ত সৌদি আরবের রাজনীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ইরানকে কন্টেইন করা। সে জন্যই মূলত তারা ইয়েমেন যুদ্ধ শুরু করেছে। এর বাইরে মধ্যপ্রাচ্যে দখলদারিত্ব করা তাদের রাজনীতির বৈশিষ্ট্যের মধ্যে দেখা যায় না।

কিন্তু ইমারাতের লক্ষ্য সুদূরপ্রসারী। তারা সোমালিয়া এবং ইয়েমেনে ইনভলভ হয়েছে মূলত সেসব এলাকার পোর্টগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য। সেজন্য ইয়েমেনে ইমারাতের প্রক্সিরা সৌদি প্রক্সির চেয়ে ভিন্ন। সৌদি সমর্থিত বাহিনীর সাথে ইমারাতি বাহিনীর লড়াইয়ের সংবাদও প্রায়ই শোনা যায়।

আরো পড়ুন: মোহাম্মদ মুরসির অভিষেক

সৌদি মূলত পশ্চিমা পাপেট। একসময় তারা ব্রিটিশদের পাপেট ছিল, পরবর্তীতে পরিণত হয়েছে আমেরিকার এবং ইসরায়েলের পাপেটে। কিন্তু ইমারাতকে শুধু পাপেট বলা যায় না, তারা পাপেটের চেয়ে আরেকটু বেশি কিছু। দে লাইক টু ডু থিংস ইন দেয়ার ঔন ওয়ে। এবং তারা সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকার স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়েও অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে, যেটা সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্য কাউকে করতে দেখা যায় না।

ওবামার কাছ থেকে তারা যখন তাদের বিভিন্ন আগ্রাসী নীতির সমর্থন আদায় করতে পারেনি, তখন থেকে তারা সরাসরি আমেরিকার রাজনীতিতেও হস্তক্ষেপ শুরু করে। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার আগেই তারা ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সাথে মিটিং করে। রাশিয়ার সাথে ট্রাম্প ক্যাম্পেইন টিমের যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার ব্যাপারেও তারা ভূমিকা রাখে। রাশিয়া ইনভেস্টিগেশনে অন্তত ৫ জন ইমারাতির নাম উঠে এসেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন যখন তাদের কাতার অবরোধের বিরোধিতা করে, তখন তারা লবিয়িং শুরু করে, এবং শেষপর্যন্ত টিলারসনকে পদত্যাগ করতে হয়। অবশ্য এসব ক্ষেত্রে ইসরায়েলি লবির ভূমিকাই বেশি ছিল, কিন্তু ইমারাতের ভূমিকাও অগ্রাহ্য করার মতো না।

ইমারাতের অঢেল টাকা। এবং সেই টাকা তারা অকাতরে ঢেলেছে আমেরিকার রাজনীতিতে নিজেদের একটা অবস্থান তৈরি করে নেওয়ার জন্য। ওয়াশিংটনে ইমারাতের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ আল-ওতাইবার প্রভাব বিশ্বের অন্য যেকোনো ব্যক্তির চেয়ে অনেক বেশি। সবই মূলত টাকার জোরে। হাফিংটনপোস্ট ওতাইবার উপর একটা প্রোফাইল করেছিল, যার শিরোনাম ছিল “দ্য মোস্ট পাওয়ারফুল ম্যান ইন ওয়াশিংটন”

ইমেইলের মাধ্যমে নতুন পোস্টের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করে 45 জনের সাথে যোগ দিন।

ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারকদের সাথে ওতাইবার সম্পর্ক এতই ঘনিষ্ঠ, সেখানে তার ডাক নাম “ব্রো-তাইবা”। ওতাইবার বস এমবিজেড সম্পর্কে ওবামার ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার বেন রোডস মন্তব্য করেছিলেন, ওয়াশিংটনে ইনফ্লুয়েন্সের ক্ষেত্রে এমবিজেড নিজেই একটা ক্লাস।

এখন পর্যন্ত আমেরিকার বিরুদ্ধে মাঝেমাঝে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে দেখা গেলেও যে দেশটার সাথে ইমারাতের নীতি পুরোপুরি মিলে যায়, সেটা হচ্ছে ইসরায়েল। ইমারাতের লক্ষ্য পরিষ্কার: মধ্যপ্রাচ্যে পলিটিকাল ইসলামকে দাঁড়াতে না দেওয়া, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতে না দেওয়া, নিজের অনুগত মিলিটারি ডিক্টেটরদেরকে ক্ষমতায় বসিয়ে রাখা, এবং ইসরায়েলের সহযোগী বা বিকল্প শক্তি হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠা করা।

এখন পর্যন্ত তাদের প্রতিটা পদক্ষেপ ইসরায়েলপন্থী। কিন্তু যেভাবে তারা এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে ইসরায়েলের পরেই তারা এমন একটা অদ্বিতীয় শক্তিশালী অবস্থানে যেতে চায়, অন্তত যেসব বিষয়ে আমেরিকার সাথে ইসরায়েলের নীতির ভিন্নতা থাকবে, সেসব বিষয়ে আমেরিকা যেন পুরোপুরি তাদের উপরেই নির্ভরশীল থাকে।

রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ এবং বিশ্লেষণ নিয়ে আমার সবগুলো লেখা একসাথে পাবেন এই পাতায়। এছাড়াও আমার লেখা পলিটিক্যাল ননফিকশনসহ বিভিন্ন বইয়ের রিভিউ এবং বিভিন্ন বই অবলম্বনে সিরিজ অনুবাদ পাবেন এই পাতায়

সম্প্রতি চলমান কাশ্মীর ইস্যুর মধ্য দিয়েও ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিকে এমবিজেডের পদক দেওয়ার ঘটনায় অনেকেই অবাক হয়েছেন। কিন্তু আসলে অবাক হওয়ার কিছু নাই। ইমারাতের ভারতপ্রীতির কিছু অর্থনৈতিক কারণও আছে, যেহেতু ইমারাতের অধিবাসীদের এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক ভারতীয়। কিন্তু এর রাজনৈতিক দিকটাও গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক সাংবাদিকই কাশ্মীর এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে, কিংবা মোদির হিন্দুত্ববাদের এবং ইসরায়েলের জায়নিজমের মধ্যে মিল দেখিয়েছেন। কাশ্মীরের জনগণ স্বাধিকার পেলে, জয়লাভ করলে গাজার ফিলিস্তিনিরা উদ্বুদ্ধ হতে পারে – এরকম আশঙ্কা থেকে যেরকম ইসরায়েল ভারতকে কাশ্মীরের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সহায়তা করবে, ঠিক একইরকম আশঙ্কা থেকে ইসরায়েলের মিত্র ইমারাতের অবস্থানও হবে কাশ্মীরের বিরুদ্ধে – এটাই স্বাভাবিক।

8 Comments

  • MD. Mirajul Islam

    কথাগুলোর সাথে বর্তমান আমিরাতের আসলেই অনেক মিল রয়ে। কিন্তু আমিরাতের আর্মস তো শুধু পরনির্ভরশী। তাই তাদের নীতি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা খুবই কম।

      • Muhammad Sayed

        Bro চোখ আমদের সবকিছু দেখাতে সক্ষম হয় সবসময়?

    • Mostakim Ibn Hashem

      রোর বাংলায় আপনার লেখালেখির সাথে পরিচিতি।
      মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতি বিষয়ক আপনার আর্টিকেল অসাধারণ। আপনার প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনা রইল

  • Mahfuzul Alam

    আপনার কাছে আমার প্রশ্, মিশর লিবিয়া এই দেশগুলোতে গণতন্ত্রপন্থীরা হোক (ইসলামের নামধার) ক্ষমতায় গেলে কাদের লাভ আমেরিকার না সউদি-আমিরাতের? সউদি-আমিরাত আমেরিকা-ইসরাইলের দালাল এই কথাগুলা মিথ এর মত হয়ে গেছে.

    • Mozammel Hossain Toha

      গণতন্ত্রপন্থীরা ক্ষমতায় গেলে এই মুহূর্তে সৌদি-আমিরাতের কোনো লাভ নাই। আর আমেরিকার লাভ/ক্ষতি খুব বেশি কিছু নাই। আমেরিকার যে অবস্থান, তারা গণতান্ত্রিক, একনায়কতান্ত্রিক – সবাইকেই নিজের পক্ষে কাজ করাতে পারে। মিশরে মুরসির সাথেও আমেরিকা সুন্দরভাবে কাজ করছিল। খুব বেশি বাধা দেয়নি। এবং মুরসি ফুল টার্ম পূর্ণ করলেও আমেরিকার খুব বেশি সমস্যা হতো না। মুরসি নিজের স্বার্থেই আমেরিকার খুব বেশি বিরুদ্ধে যেত না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *